বাজারে প্রচলিত ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার না করে অ্যালোভেরা দিয়ে তৈরি টুথপেস্ট কেন ব্যবহার করবেন?


Aloe Vera Tooth gel


স্বাস্থ্য স্বচেতন এবং সৌন্দর্য প্রিয় প্রত্যেকটা মানুষের কাছে অ্যালোভেরা একটি অতি পরিচিত নাম। বাংলায় যাকে আমরা ঘৃতকুমারী বলি। আজ থেকে ৬০০০ বছর আগে প্রাচীন  মিশরে অ্যালোভেরার উৎপত্তি।

এই উদ্ভিদ যেমন সহজলভ্য গুণে তেমন অনন্য। সময়ের সাথে এর ভেষজ গুনাগুন আমাদের রূপ চর্চা থেকে শুরু করে ডায়েট কন্ট্রোল সর্বত্রই তার ছাপ রেখেছে।



অ্যালোভেরার পরিচয়


অ্যালোভেরা দেখতে অনেকটা আনারস গাছের মত। এর পাতাগুলি পুরু, দুধারে করাতের মত কাঁটা এবং ভেতরে লালার মত পিচ্ছিল শাঁস থাকে। শেকড় থেকে গজানো ডাল বা ‘শাখা’-এর সাহায্যে এই গাছের বংশবৃদ্ধি হয়।

Aloe Vera Tooth gel


ঘৃতকুমারীতে রয়ছে ২০ রকমের খনিজ। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬ ও বি২ ইত্যাদি।


লাইফে অ্যালোভেরার জাদুকরী প্রভাবঃ


আপনি বিশ্বাস করেন আর নাই করেন আল্লাহ তায়ালা এই ভেষজ উদ্ভিদের মধ্যে হাজারও ঔষধি গুন সন্নিবেশিত করেছেন।

দাঁতের সমস্যার সমাধান, চুলপড়া বন্ধ, ডায়াবেটিস, হজমে সমস্যার সমাধান, ওজন কমানো আরও হাজারও সমস্যার সমাধান রয়েছে এই একটি মাত্র অ্যালোভেরার পাতায়।

চলুন দেখে নেওয়া যাক আমাদের লাইফে অ্যালোভেরার জাদুকরী প্রভাবসমূহ।



লাইফে অ্যালোভেরার ৩৩টি জাদুকরী প্রভাব নিয়ে চমৎকার একটি ইবুক আপনার জন্য রয়েছে একদম ফ্রি। গিফ্টটি পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।





স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অ্যালোভেরাঃ


Health is wealth এটা কে না জানে! আপনি কোটি টাকার মালিক কিন্তু পেটে সামন্য গন্ডোগোল হলে আপনার চেয়ে অসুখি মানুষ আর কেউ নেই। আসুন জেনে নেই স্বাস্থ্যরক্ষায় অ্যালোভেরার অবদান কি কিঃ

  • এটি ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্তর করে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং রক্তে কোলেস্টেরল ও চিনির মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে সাহায্য করে।
  • অ্যালোভেরা হল অ্যান্টি ম্যাইকোবিয়াল এবং অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদানসমৃদ্ধ একটি গাছ। অ্যালোভেরা জুস নিয়মিত পান করলে রোগ-প্রতিরোগ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
  • নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পান করলে হজম শক্তি বাড়ে।
  • এটি দেহে সাদা ব্লাড সেল গঠন করে যা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে।
  • সুষম খাদ্যের পাশাপাশি নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
  • দেহে ক্ষতিকর পদার্থ প্রবেশ করলে তা অপসারণ করতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা।
  • অ্যালোভেরায় মিনারেল, অ্যামিনো অ্যাসিডসহ নানা ধরণের পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। যা হাড় ও মাংসপেশিকে শক্তিশালী করে।
  • ক্রনিক প্রদাহের কারণে শরীরে মেদ জমে। অ্যালোভেরা জুসের অ্যাণ্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান এই প্রদাহ রোধ করে ওজন হ্রাস করে থাকে।
  • অ্যালোভেরায় আছে ভিটামিন-সি, যা মুখের জীবাণু দূর করে মাড়ি ফোলা, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করে।
  • গবেষণায় দেখা গেছে যে, অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যালো ইমোডিন, যা স্তন ক্যান্সার ছড়ানো থেকে রোধ করে।
  • অনেকের মুখে ঘা হয়, আর এই মুখের ঘা দূর করতে অ্যালোভেরা অত্যন্ত কার্যকারী।



রূপচর্চায় অ্যালোভেরাঃ


কথায় আছে আগে দর্শনধারী পরে গুনবিচারী। স্বামী চাই তার স্ত্রীকে সুন্দর লুকে দেখতে স্ত্রীও চাই তার স্বামীকে হ্যান্ডসাম দেখতে। চলুন দেখে নেওয়া যাক অ্যালোভেরা ব্যবহারে কিভাবে রূপচর্চা করা যায়ঃ


  • অ্যালোভেরা ত্বককে সজীব করে । ছুরি দিয়ে অ্যালোভেরার ভিতরের জেল বের করে  মুখের ত্বকে লাগালে ত্বক মসৃণ , উজ্জ্বল আর নরম হবে।
  • বয়স বাড়ার সাথে আমাদের চামড়ায় ভাজ পড়ে  যা আপনি সহজেই রুখতে পারেন এই অ্যালোভেরা ব্যবহার করে। কারণ এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান সমৃদ্ধ।
  • অ্যালোভেরার জেল মেছতা দূর করে। আঙ্গুলের ডগায় খানিকটা জেল নিয়ে দাগের উপর ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করুন।
  • অ্যালোভেরা, মধু ও শসা একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগালে মেছতা দূর হওয়ার পাশাপাশি সতেজ হয়ে উঠবে ত্বক।
  • সানবার্ন থেকে রেহাই পেতে অ্যালোভেরা জেল সরাসরি ত্বকে লাগাতে পারেন। রোদে পোড়ার তামাটে রঙ দূর হয়ে যাবে দ্রুত।
  • মুখের ত্বকে প্রতিদিন দুইবার অ্যালোভেরা লাগালে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে উজ্জ্বল হয়ে উঠবে ত্বক।
  • কনুই বা হাঁটুর কালো দাগ দূর করতে অ্যালোভেরার পাতার রস নারকেল তেলের মধ্যে মিশিয়ে লাগান।
  • ব্রণের দাগ দূর করার জন্য অ্যালোভেরা খুবই কার্যকরী।  অ্যালোভেরার রসের সঙ্গে মুলতানি মাটি ও চন্দন পাউডার মিশিয়ে মুখে লাগান। ব্রণের দাগ চলে যাবে।
  • ত্বকের পাশাপাশি চুলের জন্য অ্যালোভেরা অনেক দরকারি। অ্যালোভেরার ব্যবহারে মাথার ত্বকের পি এইচ ঠিক থাকে আর খুশকিও দূর হয়।
  • ঠোঁট এর রঙ উজ্জ্বল রাখতে ঠোঁট নরম আর মসৃণ করতে অ্যালোভেরা ব্যবহার করা যায়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল ঠোঁটে লাগালে  ঠোঁট উজ্জ্বল হবে।
  • অ্যালোভেরার অ্যান্টিসেপটিক গুনাগুনও উল্লেখযোগ্য। অ্যালোভেরা পাতার জেল বের ফ্রিজে রাখুন আর অল্প কেটে গেলে বা ক্ষত হলে লাগান। দিনে দুই বা তিন বার লাগালেই ক্ষত আরাম হবে। 


অ্যালোভেরার রয়েছে ৩৩টি ম্যাজিকাল হ্যাকস। জানতে চাইলে এখনই 
ডাউনলোড করে নিন ফ্রি  ই বুকটি ।  ডাউনলোড করুন


দাঁতের যত্নে অ্যালোভেরাঃ


ঝকঝকে দাঁত ঝকঝকে হাসি। শুধুমাত্র একটি সুন্দর হাসিই প্রিয়জনের মন জয় করতে যথেষ্ট। আর এই ভুবনজয়ী হাসির জন্য চাই ঝকঝকে দাঁত। আসুন দেখি দাঁতের যত্নে অ্যালোভেরা কি বলেঃ

  • অ্যালোভেরার জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে। দাঁতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়।
  • নিয়মিত অ্যালোভেরার জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।
  • অ্যালোভেরায় আছে ভিটামিন-সি, যা মুখের জীবাণু দূর করে মাড়ি ফোলা, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করে।
  • অ্যালোভেরার জেল মাউথ ওয়াশ এর বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।
  • অ্যালোভেরার জেল দাঁত ও মাড়িতে সরাসরি লাগান। ১০ মিনিট পর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। দিনে দুবার এটি ব্যবহার করলে দাঁতের প্লাক দূর হয়ে যাবে।
  • অল্প পরিমাণ অ্যালোভেরা জেল নিয়ে মাড়িতে ম্যাসাজ করুন এতে রক্ত পড়া কমে যাবে।
  • মাড়ি হতে রক্তক্ষরণ, জিংজিভাইটিস নিয়ন্ত্রণ এবং দাঁতের গহ্বর প্রতিরোধে সহায়তা করে।
  • দাঁতের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় এবং পরিষ্কারের জন্য সবচেয়ে কার্যকরী অ্যালোভেরা।
  • ঠান্ডা বা গরম কিছু খেলে দাঁতের মধ্যে সিরসির করে এই সিরসিরে ভাব কমাতে অ্যালোভেরার জুড়ি মেলা ভার।

অ্যালোভেরা ব্যবহার নিয়ে অত্যন্ত 
কার্যকরী একটি ই-বুক।

সম্পুর্ন ফ্রি ডাউনলোড করুন

ন্যাচারাল উপায়ে তৈরি অ্যালোভেরার টুথজেল কেন ব্যবহার করবেন?


বাজারে প্রচলিত ফ্লোরাইডযুক্ত  পেস্ট ব্যবহার না করে ন্যাচারাল উপায়ে তৈরি অ্যালোভেরার টুথজেল কেন ব্যবহার করবেন?
  • আপনার কি মুখে দূর্গন্ধ? মানুষের সাথে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না?
  • আপনার দাঁতে কি স্পট পড়ে গেছে?
  • আপনার দাঁত কি ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে?
  • আপনার দাঁতের গোড়া দিয়ে কি রক্ত পড়ে?
  • ঠান্ডা বা গরম কিছু খেলে কি আপনার দাঁত সিড়সিড় করে?
  • খাবার খেলে কি বদহজম হয়?
  • এটি ব্যবহারে দাত হয় মুক্তার মত ঝকঝকে।
  • এটি শরীরের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর ফ্লোরাইডমুক্ত 
  • হাত-পা কেটে গেলে বা পুড়ে গেলে অ্যালোভেরা টুথজেল ব্যবহার করতে পারবেন।
  • পেটে গ্যাষ্টিক হলে একটু টুথজেল নিয়ে ১ গ্লাস পানিতে মিশিয়ে 
  • খেয়ে নিলে খুব সহজেই নিরাময় পাবেন।
  • ব্রাশ করার সময় পেটে চলে গেলে কোন ক্ষতি হয় না বরং উপকার হয়। তাই বাচ্চাদের জন্য এটা খুবই উপকারী।
  • মুখের আলসারে ক্ষত বা ঘায়ের মধ্যে ব্যবহারে উপকার পাওয়া যায়।
  • মুখে ব্রণ হলে ব্যবহার করতে পারেন।
  • মাথাব্যথা হালকাভাবে কপালে প্রয়োগ করতে পারেন।



অ্যালোভেরা টুথজেল কিভাবে ব্যবহার করবেন?


    দাঁত থাকতে দাঁতের যত্ন নিচ্ছেন তো! আপনার সামান্য অবহেলার কারণে আাপনার দাঁতে নানাবিধ সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই দাঁতের সঠিক যত্ন নিতে ব্যবহার করুন অ্যালোভেরা টুথজেল।
    • প্রতিদিন সকাল এবং রাত্রে খাবার পরে অল্প একটু পেস্ট ব্রাশে নিয়ে সুন্দর করে দাঁত ব্রাশ করুন।
    • মুখের মধ্যে ক্ষত বা ঘা হলে আজ্ঞুলে একটু টুথজেল নিয়ে লাগিয়ে দিন।
    • ঠোট ফাটলে হালকা করে প্রলেপ লাগিয়ে কিছু সময় পরে ধুয়ে ফেলুন।
    • সর্দি থাকলে পানিতে টুথজেল মিশিয়ে হালকা গরম করে গরম বাষ্পে শ্বাস নিন ১ মাস। সর্দি পালানোর রাস্তা খুজে পাবে না।
    • অল্প পরিমাণ অ্যালোভেরা জেল নিয়ে মাড়িতে ম্যাসাজ করুন এতে রক্ত পড়া কমে যাবে।
    • মাথা ব্যাথা হলে হালকা করে কপালে টুথজেলের প্রলেপ দিয়ে দিন। কিছু সময় পরে দেখবেন মাথা ব্যাথা হাওয়া।
    • ত্বক পুড়ে গেলে পুড়া যায়গায় টুথজেল লাগিয়ে রাখুল দ্রুত নিরাময় হবে।
    • মলদ্বারে পাইলস হলে ফাটার উপরে টুথজেল লাগিয়ে দিন।
    • গ্যাস্টিকের সমস্যা থাকলে অল্প একটু টুথজেল পানিতে গুলিয়ে খেয়ে ফেলুন দেখবেন পেট ব্যাথা সেরে গেছে।
    • এছাড়াও আরো অনেক সমস্যার সমাধানই পেয়ে যাবেন এই একটি মাত্র অ্যালোভেরা টুথজেলে



    উপকারী অ্যালোভেরার কিছু ক্ষতিকর দিকঃ


    অ্যালোভেরার উপকারিত কারো অজানা নয়। কিন্তু এই উপকারী অ্যালোভেরারও রয়েছে কিছু ক্ষতিকর দিক। 

    চিকিৎসকদের মতে, অ্যালোভেরা জেল তখনই নিরাপদ যখন এটি প্রক্রিয়াজাত করে ওষুধ বা জেল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।


    প্রাকৃতিক উপায়ে যখন অ্যালোভেরার ভেতরের রসালো পদার্থটি বের করা হয় তখন এর সঙ্গে ভুলবশত ‘অ্যালো লেটেক্স’ বের হতে পারে। যা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। 

    এই ল্যাটেক্স অ্যালোভেরার পাতার মধ্যেই থাকে যার রঙ হলদে। যদি অ্যালোভেরার শাঁসের সঙ্গে এই ল্যাটেক্স মিশে যায় আর তা যদি খাওয়া হয় তবে এটি শরীরের বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে।

    তবে প্রাকৃতিক উপায়ে যখন অ্যালোভেরার জেল বের করা হয় তখন যদি সাথে সাথেই ব্যবহার না করে ১ঘন্টা বা ২ঘন্টা রেখে দেওয়া হয় তাহলে হলুদ রঙের ‘অ্যালো লেটেক্স’ বের হয়ে যায়।

    অ্যালোভেরার সবুজ পাতাই নিরাপদ বলে ধরা হয়ে থাকে। পাতা একটু বেশি পুরাতন হয়ে হলদেভাব এলে তা বর্জন করাই শ্রেয়।


    ফ্লোরাইড কি?


    ফ্লোরিন হলো একটি রাসায়নিক মৌলিক পদার্থ যার পারমাণবিক সংকেত হল F আর ফ্লোরাইড হলো ফ্লোরিনের ঋণাত্বক আয়ন। ফ্লোরাইড শব্দটির সঙ্গে আমাদের দেশের বেশিরভাগ লোকের কোনো পরিচিতিই নেই এর মারাত্মক ক্ষতির কথা ছেড়েই দিলাম।


    ফ্লোরাইড এ কি কি ক্ষতি হয়?


    "ফ্লোরাইড দাঁতের ক্ষয়রোধ করে দাঁতকে সুরক্ষা করে আর মাঢ়ি রাখে সুস্থ-সবল" 

    এটি একটি ভ্রান্ত ও অচল মতবাদ। কারণ ১৯৮৭ সালের দিকেই এই মতবাদকে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ফ্লোরাইড মানব শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। যেমনঃ

       ✓ ফ্লোরাইডের উপস্থিতিতে অ্যালুমিনিয়ামের জৈবিক প্রভাব বেড়ে যাওয়ার কারণে মস্তিষ্কে অ্যালুমিনিয়াম সঞ্চিত হওয়ার পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে যায় যা অ্যালযাইমার্স (বিস্মরণ রোগ) রোগটিকে ত্বরান্বিত করে।

       ✓ ফ্লোরাইডের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতির কারণে শরীরের বেশ কিছু এনজাইমের কার্য ক্ষমতায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ফলে দেখা দিতে পারে স্নায়বিক দুর্বলতা।

       ✓ শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে বা মুখ ও ত্বকের মাধ্যমে বেশিমাত্রায় ফ্লোরাইড গ্রহণ শ্বাসতন্ত্র, পাকস্থলী ও ত্বকে উত্তেজনা সৃষ্টি করে ক্ষতি সাধন করতে পারে।

       ✓ ফ্লোরাইড পুরুষের শুক্রানুকে এমনভাবে বিকৃত বা বিনষ্ট দেয় যা প্রজনন ক্ষমতার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

       ✓ ফ্লোরাইড বিষণের রাসায়নিক প্রক্রিয়ার একটি ভয়াবহ দিক হল যে জলে, খাদ্যে, ওষুধে ফ্লোরাইড আছে কিনা তা বোঝবার কোনো উপায় নেই। কারণ জলে - খাদ্যে মিশে থাকা ফ্লোরাইডের না আছে বর্ণ, না আছে গন্ধ, না আছে বিশেষ কোনো স্বাদ, আর্সেনিকের মতোই।


    ফ্লোরাইড এ দাঁতের কি কি ক্ষতি হয়?


    ১৯৩৮ সালে ড. এইচ ট্রেন্ডলি ডিন নামের এক আমেরিকান দন্ত বিশেষজ্ঞ দাবি করে যে খাবার পানিতে ফ্লোরাইডের উপস্থিতি দাঁতের ক্ষয়রোধে সাহায্য করে। 

    কিন্তু ১৯৮৬-৮৭ সালে গবেষণায় দেখা যায় ফ্লোরাইড দাঁতের ক্ষয়রোধে তেমন কোন ভুমিকা তো রাখেই না বরং জন্ম দেয় হাজারটা সমস্যার।

    ফ্লোরাইডে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় দাঁত ও হাড়। যেমনঃ

       ✓ দাঁতে ফ্লোরোসিস দেখা দেয় ফলে এনামেলের মসৃণ স্তর নষ্ট হয়ে যায়।
       ✓ দাঁতের রং নষ্ট হয়ে যায়।
       ✓ দাঁতে ছোপ ছোপ দাগ দেখা দেয় এবং দাঁত ভঙ্গুর হয়ে যায়।
       ✓ দাঁতের গঠন এলোমেলো ও দাঁতের সহজ ভঙ্গুরতা হয়ে থাকে।
       ✓ দাঁত ব্রাশ করার সময় ছোট বাচ্চারা প্রায়ই পেস্ট খেয়ে ফেলে। ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট যদি পেটে চলে যায় তাহলে মারাত্মক শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    তাই আপনার এবং আপনার সন্তানের দাঁতের সুরক্ষায় ব্যবহার করুন ফ্লোরাইডমুক্ত টুথপেস্ট।

    বাজারে প্রচলিত ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট কেন ব্যবহার করবেন না?


    দাঁত মাজতে আমরা সবাইই টুথপেস্ট ব্যবহার করে থাকি। আর সেই টুথপেস্টের বেশিরভাগেই মজুদ থাকে ফ্লোরাইড। যা দাঁতের উপকার থেকে ক্ষতিই বেশী করে। 

    আপনি কি জানেন ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করে আপনি জেনে বুঝে নিজের সর্বনাশ করছেন?
    প্রতিদিন একটু একটু করে গ্রহণ করা ফ্লোরাইড গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সৃষ্টি করে। তৈরি হয় বাচ্চাদের ভেতরে অরুচি, বমিভাব আর ডায়রিয়ার সমস্যা। 

    এছাড়াও পরবর্তীতে বাচ্চাদের হাড়কেও দূর্বল করে গড়ে তুলতে পারে প্রতিদিনের এই একটু করে নেওয়া ফ্লোরাইড।
    কি করবেন তখন? যখন আপনার সন্তান বেশি পরিমাণে ফ্লোরাইড গ্রহণ করে ফেলবে? চিন্তা করুন এবং ভাবুন!

    ছোট-বড়, আমাদের অনেকেরই টুথপেস্ট খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। 
    বিশেষ করে নানারকম ফলের ফ্লেভার দেওয়া টুথপেস্ট বাজারে আসার পর থেকে বাচ্চাদের লুকিয়ে টুথপেস্ট খাওয়ার পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে অনেকটা বেশি।

    সুতরাং এখন থেকে আপনি যে টুথপেস্টই ব্যবহার করুন না কেন ক্রয় করার পূর্বে অবশ্যই দেখে নিবেন এতে ফ্লোরাইড আছে কি না?

    আপনি সুস্থ থাকুন আপনার পরিবারকে সুস্থ রাখুন।

    এই সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় কি?


    এই সমস্যা থেকে মুক্তির একদম সহজ ও সিম্পল উপায় রয়েছে। আপনি ফ্লোরাইডমুক্ত যে কোন টুথপেস্ট ব্যবহার করতে পারেন।